রবিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২১
রবিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০১৬
নির্বোধ হে তুমি নারী, এক অবুঝ ললনা মাত্র।
নির্বোধ হে তুমি নারী, এক অবুঝ ললনা মাত্র।
O you foolish woman, just a foolish woman.
একদিন, গোধূলির আলো ছায়ায় কালো কমলা রঙের খেলায়, মানব বলেছিল–হে মানবী! তুমি নির্বোধ ললনা মাত্র, আমার জন্য কান্নার নীর ঝরাও, ব্যাকুলতায় হৃদয় করো টলমল, নির্বোধ হে তুমি নারী! এক অবুঝ ললনা মাত্র!
অহংকার ঝরে ঝরে পড়ে গণ্ডদেশ বেয়ে, মানবের চোখে মুখে আজ সূর্যের তেজ। অথচ আমি মানব, এক ভিন গ্রহবাসি স্বার্থপর। অবোধ বনিতা, আজো আমায় চিনতে পারনি? ভিন গ্রহবাসির মতোই দুর্বোধ্য তোমার কাছে, কখনো এই আমি ই তোমার শরীরের পেলব রেখায় ওষ্ঠ ছোঁয়াই! তোমারই বুকে উষ্ণতা ছড়িয়ে, তোমাতে মিশেই হয়ে যাই, এক অভিন্ন স্বত্বা।
আবার প্রয়োজনে, এই তোমাকেই আস্তাকুড়ে ছুড়ে ফেলতে জানি, এই তোমাকে ভুলেই মগ্ন হতে পারি, বিলীন হতে পারি আমার পৃথিবীতে, অথচ মানবী তুমি! পারো কি আমায় ভুলতে? পারো কি আমার শত অবহেলার পরেও, নিজেকে সমর্পণ না করে থাকতে?
তোমার নিজস্ব কোন স্বত্বা নেই তুমি আমাতেই আছো মিশে, আমাতেই তোমার রঙধনুর রঙ খুঁজে ফেরে তার দিশে। তবে মানবী, মেনে নাও এই নিয়তি, এই নিয়ম, মেনে নাও অবহেলা মানবের উপহার ভেবে। জীবন করো হে ধন্য পুজার ফুল দিয়ে কেবলি মানবের পদতলে।
লেখাঃ আবু রুবাইয়া।
সাহায্যেঃ অশান্ত ছেলেবেলা।
প্রকাশ্যেঃ ইন্টারনেট।
ভালবাসা হয় যদি অপরাধ, তবে দু'জনে সম অপরাধী।
শনিবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০১৬
মানব ও মানবী-Man and woman
পুরুষের কি আবেগ নেই? কিংবা নারী কি শরীরের আনন্দ উপভোগ করে না? তাহলে সব দোষ পুরুষদের উপর এসে পড়ে কেন ?
পৃথিবীর বেশিরভাগ মেয়ের ধারণা ছেলেরা শুধু শরীর খোঁজে, শরীরের আনন্দ খোঁজে। পুরুষের সব আবেগ শরীর থেকে শুরু হয়ে শরীরেই শেষ হয়ে যায়। দিন শেষে গড়ে সব পুরুষের গায়ে “শরীর সর্বস্ব” লেবেল এঁটে যায়। কিন্তু আসলে কি পুরুষ শুধু শরীর খোঁজে? কিংবা নারী কি শরীরের আনন্দ উপভোগ করে না? পৃথিবীতে এক শ্রেণীর মানুষই আছে এমন, যারা কেবল শরীর টাকা আর জাগতিক বস্তু চেনে। তাঁদের মাঝে পুরুষ যেমন আছে, নারীও আছে।
এদের সাথে সবাইকে মিলিয়ে ফেললে হবে না। এরা তো মানুষ না____। কিন্তূ ব্যক্তিগত ভাবে আমার মনে হয় একজন পুরুষকে আপন করে নেয়া আসলে খুব সোজা। আমাদের সমাজে ছোটবেলা থেকে নিজের আবেগ গোপন করতেই শেখানো হয় পুরুষদেরকে। অনুভব গুলো চেপে রাখতে রাখতে তারা যেন কেমন কেমন হয়ে যায়।
অথচ আমি নিজেই দেখেছি সহস্র চুমুর চাইতেও পুরুষেরা বেশি গুরুত্ব দেয় কেউ আদর করে পাশে বসিয়ে খাওয়াক, এটা ওটা পাতে তুলে দিক। অতি সুন্দরী এক নারীর সাথে রাত্রি যাপনের চাইতেও সেই মেয়েটি তাঁদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ, দিন শেষে যার কোলে মাথা রাখা যায়। অতি সাহসী পুরুষেরাও চায় খুব কষ্টের দিন গুলোতে কেউ একজন পরম মমতায় বুকে টেনে নিক, মাথায় হাত বুলিয়ে দিক। আদর করে বলুক- সব ঠিক হয়ে যাবে, সব ঠিক হয়েযাবে____।
একজন নারী যেভাবে তাঁর পুরুষটিকে সমস্ত শক্তির উৎস হিসাবে চায়, একজন পুরুষও কিন্তূ তাই। সেও চায় একান্ত নারীটি তাঁকে বুঝুক, জানুক, তাঁকে অনুপ্রেরণা দিক। অন্যদের কথা জানি না, কিন্তূ আমি নিজের জীবনে এমন পুরুষদেরকেই দেখেছি। বাবা, ভাই, বন্ধু, আরও না জানি কত রূপে। দেখেছি তারা ভালোবাসার বড় কাঙাল!
একটু ভালোবাসা, একটু মমতা, একটু আদর দিয়ে তাঁদেরকে কিনে নেয়া যায় আজীবনের জন্য! অদ্ভুত বিষয়টা হচ্ছে, যে যাই বলুক না কেন, যতই লিঙ্গগত ঝগড়াঝাটি থাকুক না কেন, আমার কখনও মনে হয়নি নারী-পুরুষ পরস্পরের শত্রু। তারা পরস্পরের পরিপূরক, একেঅন্যকে ছাড়া অপূর্ণ।
তবে কখনো পুরুষ এই সত্য অস্বীকার করে, কখনো বা নারী। অথচ তারা পরস্পরের পরিপূরক। অথচ তারা পরস্পরকে ছাড়া অপূর্ণ। খাপে খাপে মেলানো প্রকৃতির অদ্ভুত সুন্দর সৃষ্টি মানব ও মানবী।
লেখাঃ আবু রুবাইয়া।
সাহায্যেঃ অশান্ত ছেলেবেলা।
প্রকাশ্যেঃ বাংলাদেশ সাইবার এস্পেস।
জীবন মানেই তো যন্ত্রণা, বেঁচে থাকতে বোধহয় শেষ হবে না।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)
